ডিসেম্বরের শহরে

                                                   

                                       


অমন ভাবে কেউ ছেড়ে চলে যায়.?

চলন্ত হাইওয়ের মাঝে, 

কোনো এক বস্তু যেমন পরে থাকে  বিধ্বস্ত হয়ে;

আমিও ঠিক তেমনি পরে আছি পৃথিবীর কোনে।

অমন ভাবে কেউ কথা দেয়.?

যে কথা পূর্ণতার জন্য,

তুমি আসবে বলে চেয়ে আছি পথে আজ কুড়ি বছর।

অমন ভাবে কেউ ঠকায়.?

যার কারণে আজ মানুষ দেখলে ভয় পাই,

কেউ সঙ্গ দিবে বললে দূরে সরে যাই।

এ শহর খুবই ভয়ংকর, 

এ শহরে প্রতিযোগিতা হয় মানুষ ঠকানোর;

এ শহরে ভালোবাসা হয় লোক-দেখানোর।

 বসন্তের শেষ প্রহর:-

কোন এক বসন্তের বিকেলে হঠাৎ তোমার আগমন যখন এক ছলনাময়ী বসন্ত পাষন্ত শীতের ক্ষতি ভোলাতে ব্যস্ত। সত্যি বসন্ত এক ভারী ছলনাময়ী ঋতু যে মানুষকে ভোলায় শীতের ঘৃণা।

তুমি এসেছিলে হয়তো সত্যি তুমি এসেছিলে।

তুমি এসেছিলে

কোন এক রোদ্র ঝরা বিকেলে মেঘের জালায় ভেসে। তরু ছায়ার মৃদু অন্ধকারে উজ্জ্বল ছিল তোমার হরিণী নয়ন। কোকিলের মত কালো চুল নাড়া দিয়ে বলেছিলে এই যে অদ্ভুত কবি! এমন নিস্তব্ধ নিঃসঙ্গ কেন এমন রৌদ্র উজ্জ্বল ঝলমল দিনে? প্রকৃতির মতো মায়াবী কন্ঠে বলেছিলে, ভালোবাসায় ভরা পৃথিবীতে বিষাদ সিন্ধু কে তোমার হৃদয় দুঃখ বিলাসে ভেসে সুখ পেতে চাও নাকি এ পৃথিবীতে?

প্রকৃতিকে প্রকৃতির মত করে ভালোবাসো তাহলে খুঁজে পাবে এ পৃথিবীর ভালোবাসা বা প্রকৃতির ভালোবাসা।

সত্যিই তো এ পৃথিবী তো এমন মানুষের না যন্ত্রপাতির ধ্বংস স্তূপে চাপা পড়া মানুষগুলো বেঁচে আছে কৃষ্ণিবুদ্ধিমত্তার লকারে ঢাকা ও ক্ষমতা বলে তারা ভুলে গেছে তাদের বাঁচার জন্য প্রযোজন অক্সিজেন তাদের যন্ত্রপাতির ভাগাড়ের বাহিরে রয়েছে এক চির মায়াবী প্রকৃতি। আজ প্রকৃতি তার চির মায়াবী ঐশ্বর্যের মূল্যবোধ হারিয়ে তিলে তিলে হচ্ছে নিজের সৌন্দর্য হারাচ্ছে রত্ন। যার অর্থ মানব সভ্যতার ধ্বংস। 

                                            এই যে অপরিচিতা নন্দিতা

পৃথিবীকে আমি যতবার তার মতে ভালোবাসতে গিয়েছি ততবারই পৃথিবী আমার হাতে নিহত হয়েছে।

ফুলের মতো মুচকি হেসে বলল,

বসন্ত কে যে ভালবাসতে জানে না, সে ভালবাসবে পৃথিবীতে!

অসীম আকাশে হারিয়ে যাওয়া প্রজাপতির বেশে বেলা শেষে আবার হারিয়ে গেল অমাবস্যার দেশে।

প্কৃতি এখানে মহাশূন্যের মতে নিস্তব্ধ স্রোতসিনী আজকের দিনটা অন্যরকম না-জানি কেন উত্তেজিত খুব

বাতাস বলে প্রেমে পড়ে সে কবি। জাম, বট, কাঁঠাল, হিজন ও অশ্বখেরা সব চুপ। খুব প্রেম আবার কি কবি রা কিছু পাই না কিছু পায় না। কবিদের জীবনে প্রেম অধরা অধরাই থাকুক।

                                                  তুমি আমার গল্প হবা:-

কোন এক শিশির ভেজা ভোরে, যখন হৃদয় জুড়ে শাসন চলছিল নিঃসঙ্গতার। তুমি এসেছিলে রূপকথার মত। যার দৃষ্টিতে মোহ, নীরবতায় অস্থিরতা, হাসিতে ভালোবাসা, রাগে ভালোলাগা।

যতবার বলতে চেয়েছি ততোবারই হারিয়ে ফেলেছি শেষ বিকেলে হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নের মতো। খুঁজেছি তোমায় রোদেলা দুপুর, গোধুলির আলোই দূর অজানায়। ততোবারই এসেছ তুমি নিয়ে স্বপ্ন সুর। রয়ে গেছ ঘাসের মাঝে জমে থাকা শিশির কণার মতো। আবার হারিয়ে গেছো দুঃস্বপ্ন হয়ে, কালো মেঘে ঘেরা তারার মাঝে আসীম নীরাবতায়।

হয়তো আমি ব্যার্থ তোমায় বোঝাতে, পারিনি বলতে ভালবাসি। হয়তো অপূর্ণতায় আমাদের ভালবাসার পূর্ণতা।

তুমি হয়তো পাগলটার কথা মনে রাখবে না। কিন্তু পাগলটা, ঠিক তার গল্পে তোমাই ভেবে যাবে। যেদিন পাগলটা তার অপূর্ণ জীবনে সেই স্মৃতিগুলোর মোহে দুঃখ বিলাসে ভেসে রুপকথা পেরিয়ে অদেখা স্বর্গে পোছাবে। জেনেরেখো সেদিনও তোমার জন্য এক গুচ্ছো কদন হাতে অনিকেত প্রান্তে দারিয়ে থাকবে।

সেইদিন তুমি আর ফিরে আসবে না বা চাইলেও ফিরে আসতে পারবেনা।

সেদিন প্রোভুর কাছে একটাই প্রার্থনা থাকবে

                                         "ঈশ্বর, তুমি সযতনে রেখো তাকে।

                                             সে বড়ো অভিমানী, চাপা বুকে।"

                                         আর তোমার কাছে একটাই চাওয়া,

                                                সেই দিনের ভুল গুলোর জন্য

                                             তুমি ক্ষমা করে দিও আমায়,,,"।


                                           Written:- Md. Saif Ahmed sorno.

                                                     Post:- Md: Sohag Babu 

                                                   

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url