কিভাবে ব্লক ওয়েবসাইট মনিটাইজ করতে হয়
অনেকে ওয়েবসাইটে কাজ করে কিন্তু সফলতা পাইনা। তার অন্যতম কারণ হলো সঠিক গাইডলাইন না পাওয়ার জন্য। আজকে আমরা দেখব কিভাবে খুব সহজে ওয়েবসাইট মনিটাইজ করা যায়। এবং এডসেন্স থেকে কিভাবে খুব সহজে ইনকাম করবেন তার ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
আজকে আমরা জানবো কিভাবে ১০টি উপায়ে ইনকাম করা যায়। সেগুলো বিস্তারিত আলোচনা করবো। চলুন তাহলে জেনে আসি কিভাবে খুব সহজে ওয়েবসাইট মনিটেশন পাওয়া যায়। ও গুগল এডসেন্স চালু করবো বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
পোস্ট সূচীপত্রঃ কিভাবে ব্লক ওয়েবসাইট মনিটাইজ করতে হয়
- সঠিক নিস নির্ধারণ করার নিয়ম | বা নিস কি
- ডোমিনো ও হোস্টিং কিভাবে সেটাপ কিভাবে করবেন জেনে নিন
- HTTPS সার্টিফিকেট কেন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজন
- এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট রাইটিং কিভাবে লিখবেন | SEO Content
- গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense) যেভাবে খুব সহজে পাবেন
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার নিয়ম যেভাবে করবেন
- অ্যাড নেটওয়ার্কের বিকল্প যেভাবে কাজ করবে
- স্পনসরড প্রচারণা বা অন্য বিজ্ঞাপন প্রচার করা
- ডিজিটাল সার্ভিস কি কিভাবে কাজ করে
- ব্রগারে ভিজিটর বানানোর উপায় ও কিছু নিয়ম
- এগুলো বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন
সঠিক নিস নির্ধারণ করার নিয়ম | বা নিস কি
ব্লক শুরু করার আগে সর্বপ্রথম আপনাকে নিচ নির্বাচন করতে হবে। কারণ ওয়েবসাইটের জন্য নিচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি কোন বিষয় নিয়ে কাজ করবেন সেটা আগে নির্বাচন করতে হবে। আর আপনি যদি সব বিষয় নিয়ে লেখতে চান। তাহলে গুগল আপনাকে বিশ্বাস যোগ্যতা হিসেবে ধরবে না। ধরুন এখন কোন বিষয় নিয়ে মানুষ google এ সার্চ করছে।
সে বিষয় নিয়ে আপনাকে আগে জানতে হবে। যেগুলো বিষয় নিয়ে লিখবেন আপনি যেমন ধরেন টেকনোলজি হেলথ অনলাইন ইনকাম কিভাবে বিনা পুঁজিতে ইনকাম করা যায়। এগুলো বিষয়ে আপনাকে লক্ষণ নির্ধারণ করতে হবে।
ডোমেন ও হোস্টিং কিভাবে সেটাপ করবেন জেনে নিন
আপনার ডমেইনের নাম খুব সহজ নিতে হবে। যাতে করে মানুষ মনে রাখতে পারে। খুব সহজে তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচারণা বৃদ্ধি পাবে। অনেকে বলে থাকে মনিটেশনের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস সব থেকে সেরা পাঠক্রম। কিন্তু শুরুতে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে কাজ না করাই ভালো। প্রথমে আপনি ব্লগারে এ কাজ শুরু করবেন। কারণ বাঘার থেকে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এ যাইতে পারবেন।
ওয়ার্ডপ্রেস থেকে ব্রগারে আসতে পারবেন না। আর আপনি খুব সহজে ব্লক ওয়েব সাইটে কাজ স্টার্ট করতে পারবেন। এতে আপনার সাইটের উপর পণ্য নিয়ন্ত্রণ দিবে ও আপনার মন মত কাস্টম ডিজাইন করতে পারবে।
আরো পড়ুনঃ প্রফেশনাল ফেসবুক পেজ কিভাবে খুলবো
HTTPS সার্টিফিকেট কেন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজন
সহজ ভাষায় বলতে গেলে HTTPS সার্টিফিকেট আপনার ওয়েবসাইটের জন্য যাকে আমরা বলে থাকি SSL/TLS Certificate বলা হয়। এটি আপনার ওয়েবসাইটে একটিভ করলে। আপনার ওয়েবসাইটের তথ্য চুরি থেকে রক্ষা করে। আপনি অনেক ওয়েবসাইটে দেখবেন ওয়েব সাইটের শুরুতে লক থাকে এটি হলো HTTPS সার্টিফিকেট ব্যবহার করে থাকলে এরকম দেখায় যা আপনার ওয়েবসাইটের বৈধতা নিশ্চিত করে।
এটি আপনার মূলত ব্রাউজারে সুরক্ষা সার্ভারের মধ্যে একটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। সার্ভারে এমন একটি আউল ফাউল সংখ্যার রূপান্তরিত করে। এতে করে হ্যাকারা কিছু বুঝতে পারেনা। (Authentication) এটি নিশ্চিত করে যে আপনি কোন অবৈধ ওয়েবসাইটে নেই আপনি সঠিক ওয়েবসাইটে আছেন নিরাপত্তা সবাই আছেন। এটি ব্যবহার করার ফলে হ্যাকাররা আপনার তথ্য চুরি করতে পারবে না। ও আপনার ওয়েবসাইটটি নিরাপত্তায় থাকবে।
নট সিকিউরিটি চিহ্নটি বাজার দেখলে ভিজিটেররা আপনার ওয়েবসাইটে থাকবেনা। আর সিকিউরিটি লেখাটা তালা ঝুলানোর অপশনটা থাকলে আপনার ওয়েবসাইটটি বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে ধরবে ভিজিটররা। এটি ব্যবহার করলে seo এর সুবিধা পাওয়া যায়। HTTPS এগুলো ওয়েবসাইট গুগল এ সার্চ ইঞ্জিনে বেশি গুরুত্ব দেয়। এতে করে আপনার ওয়েবসাইটের মনিটেশন পাওয়ার সুযোগ আরও বেশি পাওয়া যাচ্ছে।
এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট রাইটিং কিভাবে লিখবেন | SEO Content
এসইও কন্টিন রাইটিং করার কিছু নিয়ম থাকে যেমন গুগল এখন মানুষ যেগুলো কনটেন্ট দিয়ে উপর ক্রেত হয় বা কাজে লাগবে সে কনটেন্ট গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
- ফাস্ট এ আপনাকে কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে তে জানতে হবে। Semrush বা Ahrefs ব্যবহার করে এমন কীওয়ার্ড খুঁজুন যেগুলোর সার্চ ভলিউম বেশি কিন্তু কম্পিটিশন কম। তাহলে আপনার google রেংকিংঐ থাকার চান্স বেড়ে যাবে।
- আর্টিকেল স্ট্রাকচার ব্যবহার করুন H1, H2, H3 অল টাইম এগুলো ট্যাগ ব্যবহার করুন। এরপর বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করুন প্যারাগ্রাফ করে লিখুন এতে করে পাঠক পরার আগ্রহ পায়। তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে যত পাঠক বেশি ভিজিট করবে এবং সময় দেবে google আপনার ওয়েবসাইটটা তত বড় করাবে।
গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense) যেভাবে খুব সহজে পাবেন
যারা ওয়েব সাইটে এ কাজ করে। সবারই স্বপ্ন থাকে গুগল এডসেন্স পাওয়ার। এর জন্য কিছু নির্দিষ্ট বলি সত্য পূরণ করতে হয়। তাহলে আমরা জেনে আসি কি কি শর্ত পূরণ করতে হয়।
- আপনার ওয়েবসাইটে সর্বনিম্ন ২৫ থেকে ৪০ টা আর্টিকেল থাকতে হবে।
- প্রয়োজনীয় পেজ থাকতে হবে এবাউট কন্টাক্ট হেল্পলাইন প্রাইভেসি এগুলো প্রয়োজনীয় পেজ অবশ্যই থাকতে হবে।
- ইউনিট ডিজাইন ব্যবহার করুন ওয়েবসাইটের জন্য। ওয়েবসাইটের জন্য একটি ভালো থিম ব্যবহার করুন ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করুন।
- কেম্বা ক্যানভাস থেকে আপনি নিজে নিজে ছবি তৈরি করে সেগুলো ছবি পোস্ট করুন অথবা এডোবি ছপটারের মাধ্যমে ছবি তৈরি করে সেগুলো ছবি পোস্ট করুন।
- কোনটির রাইটিং করার সময় কোন রকম পোস্ট কপি করে সেগুলো পোস্ট পাবলিশ করবেন না আপনার ওয়েবসাইটে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার নিয়ম যেভাবে করবেন
এপিলড মার্কেটিং করেও ইনকাম বেশি করা সম্ভব। আপনি অন্যের পণ্য যেভাবে বিক্রি করে বেশি বেশি ইনকাম করবেন। আপনি বিভিন্ন রকম কোম্পানির সব চেয়ে যোগাযোগ করে তাদের থেকে কাজ নেই সেগুলো কাজ আপনার ওয়েবসাইটে প্রচার করে ইনকাম করতে পারবেন যেমন ধরেন ফেসবুকে মার্কেটিং করে দিলেন।
কারো পন্ন প্রচারণা করে দিলেন আপনি আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। তারপর কেউ নতুন কোনো ওয়েবসাইট ওপেন করলো। সে ওয়েবসাইটের বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে ওয়েবসাইটের লিংকটা আপনার ওয়েবসাইটে দিয়ে প্রচারণা করে দিলেন। এর মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। একে বলতাছি আমরা অ্যাফিলেট মার্কেটিং
অ্যাড নেটওয়ার্কের বিকল্প যেভাবে কাজ করবে
আপনার ওয়েবসাইটে যখন হাজার হাজার ভিউ আসবে সাসে ধরন আপনার ওয়েবসাইটে ১০ হাজার ভিউ আসলো মাসে। তখন শুধু google এডসেন্স আটকে থাকবে না আপনার ওয়েবসাইটের জন্য। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে প্রেসমেন্ট ঠিক করে দেয়। যা google এর এডসেন্স এর থেকেও বেশি ইনকাম দেয়। Mediavine বা AdThrive: যদি আপনার সাইটে মাসে ৬০,০০০+ ভিজিটর থাকে , তবে এই প্রিমিয়াম নেটওয়ার্কগুলো থেকে মাসে হাজার হাজার ডলার আয় সম্ভব।
স্পনসরড প্রচারণা বা অন্য বিজ্ঞাপন প্রচার করা
আপনার ওয়েবসাইটটি যখন একটি ব্র্যান্ড হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে। তখন বড় বড় কোম্পানি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে। এবং আপনাকে থেকে তাদের প্রোডাক্ট এর এড প্রচার করে নেবে। এরপর বড় বড় কোম্পানি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। সেগুলো এক প্রচারণার মাধ্যমে তার বিনিময়ে আপনাকে টাকা দেবে। এর জন্য আপনাকে একটা মিডিয়া তৈরি করতে হবে। আপনার ব্লগের ট্রাফিক এবং সোশ্যাল মিডিযা ফলোয়ার দের ডাটা কোম্পানিকে দেখান।
ডিজিটাল সার্ভিস কি কিভাবে কাজ করে
কিছুটা সার্ভিস বলতে আমরা বলছি। অনলাইনের মাধ্যমে কোন কিছু সার্ভিস দেওয়া বা কাউকে হেল্প করা অনলাইনের মাধ্যমে। আপনার ব্লগের পাঠকদের ব্যবহার করে আপনার নিজের পূর্ণ বিক্রি করুন এতে করে আয় আপনার বৃদ্ধি পাবে। আপনার ব্লগের সেরা কনটেন্ট গুলো নিয়ে একটি ebook প্রকাশ করুন। আপনি যদি কোন কাজে পারো দস্যি হন সেটা নিয়ে আপনি ভালো বোঝেন। তাহলে সেটা নিয়ে অনলাইনে কোর্স কোরান আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।
এতে করে আপনার বিভিন্ন রকম সার্ভিস নিজের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারবেন। এতে করে আপনার খরচ বাজবে আপনার নিজের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করার মাধ্যমে। এবং আত্মিক দিক থেকে আপনি হাজার হাজার ডলার বেশি ইনকাম করতে পারবেন।
ব্রগারে ভিজিটর বানানোর উপায় ও কিছু নিয়ম
শুধু ব্রগে লিখে বসে থাকলেই চলবে না আপনার পোস্টে ভিজিটরের কাছে পৌঁছাতে হবে। পাঠকদের জিমেইল সংগ্রহ করুন তাদের জীবনের লিংক পাঠান। ফেসবুকে মার্কেটিং করুন ফেসবুকে আপনার লিংক সরান বিভিন্ন ওয়েবসাইটে। আপনার লিংকটি দিয়ে দেন এতে করে আপনার ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে। ফেসবুকে ভিডিও তৈরি করুন বলেন এই লিংকে ঢুকে এখানে এখানে কাজ করেন। তাহলে সবকিছু জেনে যাব্লে।
বিভিন্ন ভাবে অ্যাড প্রচার করুন করুন এতে করে আপনার ওয়েবসাইটের ডিজিটার বৃদ্ধি পাবে। এবং আপনার ওয়েবসাইটে যত ভিজিটর হবে তত আপনার ইনকাম বেড়ে যাবে। এজন্য আপনার ওয়েবসাইট নিয়ে আপনাকে কাজ করতে হবে ভালো হবে।
আরো পড়ুনঃ প্রতি সপ্তায় ৪০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম
এগুলো বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন
google এখন এই আই দ্বারা লেখা কন্টেন ডিরেক্ট করতে পারে। এজন্য কখনো এই দ্বারা কন্টেন পাবলিশ করা যাবে না। আর আপনি যদি এই ধারা কন্ডিং পাবলিশ করে আপনার ওয়েবসাইট ভরাইয়া দেন। তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি পারমানেন্টভাবে ব্যান্ড হয়ে যেতে পারে। এই থেকে আইডিয়া নিবেন কিন্তু এই দ্বারা সম্পন্ন লিখবেন না। নিজের ভাষায় লিখুন।এ আই সবসময় সঠিক তথ্য দেয় না। এর জন্য সব সময় তথ্য যাচাই করে নিবেন। ব্লক মনিটেশন কোন দ্রুত বড়লোক হওয়ার উপায় নয়।
এটি একটি প্রতিযোগিতার মতো। প্রথম ছয় মাস আপনার ইনকাম নাও হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি নিয়মিত মানসম্পন্ন কন্ঠে আপলোড করেন এবং সঠিক এসইও কৌশল মেনে চলেন তবে এক বছর পর আপনার ব্লকে একটি শক্তিশালী আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়াবে। এজন্য নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করে যেতে হবে। এবং ধৈর্য ধরে কাজ করে যেতে হবে তাহলে ফল পাবেন। কন্টিনেন্টেশন পাওয়ার জন্য এগুলো বিষয়ে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। না হলে কোনদিন আপনি কন্টিনেন্টেশন পাবেন না।


ওয়েব ডিজি লাইফর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url