আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬
আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬- আরবি ১২ মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬
নতুন বছরের আরবি মাসের ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডারের বিস্তারিত দেওয়া হল। জানুন ১৪৪৭ থেকে ১৪৪৮ হিজরি খালের রমজান ঈদুল ফিতর ঈদুল আযহা শবে বরাত। এবং আশুরার সঠিক তারিখ দেওয়া হল মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সময়।
আরবি মাসের ক্যালেন্ডার দেখে আমরা বিভিন্ন রকম উৎসব উদযাপন করে থাকে। এবং রোজা রমজান পালন করে থাকি। কিন্তু ছাদের উপরনির্ভরশীল হয়ে ক্যালেন্ডার তৈরি হযে থাকে। আর আরবি মাসের ক্যালেন্ডার হয়ে থাকে ২৯ থেকে ৩০ দিন। এবং এই চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করে রোজা রমজান এবং বিভিন্ন রকম মাসিক রোজা রাখা হয়। আজকে আমরা ২০২৬ সালের ১২ মাসের বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা কর।
পোস্ট সূচিপত্রঃ আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬
- হিজরি মাস ও এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা
- ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এবাদত করার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
- জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ মাসিক ভিত্তিক বিস্তারিত আলোচনা
- মহরম ইসলামিক নববর্ষের
- আরবি ক্যালেন্ডার ও ইংরেজি ক্যালেন্ডার এর মধ্যে পার্থক্য ২০২৬
- ২০২৬ সালে মুসলিমদের করণীয়
- আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ সালের যাকাত ও আর্থিক পরিকল্পনা
- রোজা বিশেষ তালিকা আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬
- ডিজিটাল যুগে এসেও আরবি মাসের ক্যালেন্ডার এর ব্যবহার
হিজরি মাস ও এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা
হিজরি ক্যালেন্ডার হলো যা চাঁদের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। তাকে হিজরী ক্যালেন্ডার বলা হয় এটি হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত সময়। ঐতিহাসিক ভাবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছিল। হিজরি ক্যালেন্ডার খলিফা ওমর রাজিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত হয়েছে। এবং তখন থেকে চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছিল আরবি মাসের।
ধর্মীয় এবাদত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আরবি মাসের ক্যালেন্ডার। এবং এই ক্যালেন্ডার দেখে ধর্মীয় উৎসব পালন করা হযে থাকা হয়। যেমন নামাজ রোজা হিসাব রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আরবি মাসের ক্যালেন্ডার। বিভিন্ন রকম উৎসবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আরবি মাসের ক্যালেন্ডার। ঈদুল ফিতর ঈদুল আযহা চাঁদ দেখা এবং আরবি মাসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী হয়ে থাকে। এবং নতুন চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রকম উৎসব পালন করা হয়ে থাকা হয।
২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এবাদত করার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু তারিখ চ্যাট করে দেওয়া হলো। এবং তারিখ গুলো কবে পড়তে পারে তা দেওয়া হল। এবং চাঁদ দেখার উপর ভিত্তিকও ১ থেকে ২ দিন কম বেশি হতে পারে।
| নাম | ইংরেজি তারিখ | আরবি তারিখ |
|---|---|---|
| লাইলাতুল মেরাজ | ১৭ জানুযারি | ২৭ রজব ১৪৪৭ |
| লাইলাতুল বরাত | ৪ ফেব্রুয়ারি | ১৫ শাবান ১৪৪৭ |
| রমজান সুরু | ১৯ ফেব্রুয়ারি | ১ রমজান ১৪৪৭ |
| লাইলাতুল কদর | ১৭ মার্চ | ২৭ রমজান ১৪৪৭ |
| ঈদুল ফিতর | ২০/২১মার্চ | ১ শাওয়াল ১৪৪৭ |
| হজ আরাফাত এর দিন | ২৬ মে | ৯ জিলহজ ১৪৪৭ |
জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ মাসিক ভিত্তিক বিস্তারিত আলোচনা
জানুয়ারি এর পরবর্তীতে চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করে ২০২৬ সাল শুরু হয়েছে। জামাদিউস সানি মাস দিয়ে। এটি ইসলামিক চারটি সম্মানিত মাসের মধ্যে একটি। এই মাসে বেশি বেশি নফল এবাদত করতে হয়। কোরআন তেলাওয়াত করতে হয় এবং বেশি বেশি জেকের আল্লাহর এবাদত বেশি বেশি পালন করতে হয় এতে করে আল্লাহর রহমত অর্জন পাওয়ার চেষ্টা করা হয়।
এ মাসে যুদ্ধ নিষিদ্ধ। ওই মাসে বেশী বেশে স্টার পালন করা সুন্নত। শবে মেরাজ ১৭ জানুয়ারি ইংরেজি তারিখ অনুযায়ী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মেরাজ ঘমন এর অলৌকিক ঘটনা স্মরণ করা হয়ে থাকা হয়। কারণ এ মাসের পরবর্তী মাসে হল রমজান মাস হিসাবে ধরা করা হয়। এজন্য এই মাসে বেশি বেশি নফল এবাদত করতে হয় এবং দান খরত করতে হয়।
শাবান মাস রমজানের প্রস্তুতি ফেব্রুয়ারি মাস ফেব্রুয়ারি মাসটি মূলত সাবান মাস। আরবি মাস অনুযায়ী প্রবৃত্ত শবে বরাত চারই ফেব্রুয়ারি মাস। এ রাতে মহান আল্লাহ ওর কাছে নামাজ, রোজা পড়ে আল্লাহর কাছে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি চাইতে হয়। জীবনে সুখ শান্তি আনার জন্য ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের ১৮ থেকে ১৯ তারিখের মধ্যে রমজান মাস শুরু হবে। এবং প্রথম রোজা ২০২৬ সালের প্রথম রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রহমত মাগফিরাত ও নাজাত রমজান ও শাওয়াল মাস হল মার্চ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাসটি হল মার্চ মাস ২০২৬ সালের এ পুরো মাস জোরে সিয়াম সাধনা রোজা পালিত হবে আল্লাহর এবাদত করা হবে।এ মাস্টার অত্যন্ত আনন্দের একটি মাস সারাদিন রোজা থেকে ইফতার করে তারাবির নামাজ পড়াবে একটি আনন্দ পাওয়া যায় ও আল্লাহর রহমত হয় সবার প্রতি।
মার্ক্সের সূত্র তারিখে বছরের শ্রেষ্ঠ রাত হতে চলতেছে লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে। ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে দীর্ঘ এক মাস রোজার পর ২০ বা ২১ তারিখ মধ্যে খুশির ঈদ পালিত হবে ঈদুল আযহা। এখানে অনেক আনন্দ আবেগ কাজ করবে কারণ দীর্ঘ একটা মাস রোজার রাখার পর খুশির ঈদ সবার মাঝে আনন্দ উৎসব পালিত হবে এবং আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে হবে।
আরো পড়ুনঃ ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস একাউন্ট খোলার নিয়ম
কোরবানি ও আরবি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নতুন হিজরি বছর মে ও জুন। আরবি মাসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মে মাসে জিলহজ মাস শুরু হবে। ঈদুল আযাহা মে মাসের ২৭ তারিখকে সারা বিশ্বে কোরবান ঈদ পালিত হয়ে থাকবে চাঁদ অনুযায়ী। ঈদুল আযহা ঈদের দুই মাস দশ দিন পরে কোরবানি ঈদ পালিত হয়। আর ২৭ তারিখে যদি ঈদ হয় তাহলে জুন মাসের ২৭ তারিখে আশুরা হবে।
মহরম ইসলামিক নববর্ষের | আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬
এ মাসে আশুরার রোজা রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সোয়াবের কাজ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলেছেন রমজানের পরে চেষ্টা রোজা রাখা হল মহররম মাসের রোজা করা। মহরম মাসকেআল্লাহর মাস বলা হয়। এ মাস হল ( হজ ও ত্যাগের মাস ) জিলহজ মাস এই মাসের প্রথম দশ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় মাস।
এ মাসের প্রথম দশ দিনের এবাদত জিহাদের দেহ উত্তম হিসাবে গণ্য করা হয়। আর নয় জিলহজ আরাফাত ময়দানে অবস্থান হাজীদের প্রধান নামাজ। ভারতবর্ষের জেলাজ কুরবানি ঈদ পালন করা হয়। যার যে সামর্থ্য আছে সেই অনুযায়ী পশু জবাই করে থাকে আল্লাহর নামে আল্লাহকে খুশি করার জন্য। এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সবার মাঝে আনন্দ উৎসব পালিত হয়ে থাকে।
আরবি ক্যালেন্ডার ও ইংরেজি ক্যালেন্ডার এর মধ্যে পার্থক্য ২০২৬
এখানে ইংরেজি ক্যালেন্ডার সূর্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। আর অপরদিকে আরবি মাসের ক্যালেন্ডার চাঁদ দেখে তৈরি করা হয়। ইংরেজি মাসের ক্যালেন্ডার ৩৬৫ দিনে ১ বছর হয়। অপরদিকে আবার আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ৩৫৪ থেকে ৩৫৫ দিনে এক বছর হয়ে থাকে।
প্রতিবছর আরবি ক্যালেন্ডার ইংরেজি মাস থেকে ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে থাকে। এর সঙ্গে তো পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আরবি মাসগুলো ঘুরতে থাকে। যেমন ২০২৬ সালের রোজা হচ্ছে শীতের শেষের দিকে মানে ফেব্রুয়ারি মাসের অর্ধেক যাইতে।কিন্তু এখন থেকে ৪ থেকে ৫ বছর পর অন্য কোন ঋতুতে হবে এটা স্বাভাবিক।
২০২৬ সালে মুসলিমদের করণীয় | আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬
প্রতিটি আরবি মাসের গুরুত্ব জেনে সঠিকভাবে প্রত্যেকটি মাসের রোজা পালন করতে হবে এবং এবাদত করতে হবে প্রতি মাসের ১৩-১৪১৫ তারিখের রোজা রাখার সুন্নতি ২০২৬ সালেও পালন করে যেতে চেষ্টা করতে হবে ও যাকাত দিতে হবে গরিবদের মাঝে আরবি মাসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।
আধুনিক ডিজিটাল ক্যালেন্ডার দেখার সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে চাঁদ দেখার খেয়ালটা দেখে যেতে হবে। প্রত্যেক মাসে চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে আপনি যদি সবগুলো নিয়ম মেনে অনুযায়ী রোজা পালন করেন তাহলে আল্লাহ আপনার প্রতি খুশি হবেন। এবং আল্লাহ আপনাকে বরকত দান করবেন। আমরা যদি আরবি মাসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এবাদত করি তাহলে আমাদের এবাদত করতে অনেক সুবিধা হবে।
আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ সালের যাকাত ও আর্থিক পরিকল্পনা
আমরা অনেকে যাকাত হিসাব করার জন্য রমজান জানানো আসবে সে নেই সেটা আপনিও নেন অবশ্যই। ২০২৬ সালে রমজান মাস পড়েছে জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মিলে। এজন্য আমাদের উচিত বছরের প্রথমে হিসাব গুছিয়ে নেওয়া। তাহলে বছরের শুরুতে যাকাত দিয়ে দিলে আপনার কোন ঝামেলা থাকলো না এবাদতটা বছরের শুরুতে আপনি পালন করে ফেললেন।
আর ২০২৬ সালের বিশ্বে ফেব্রুয়ারির আগে ফেতরা আদায় করে দেয়া উচিত যাতে করে গরিব মানুষেরা ঈদের আনন্দটা টা একটু হলে উপভোগ করতে পারে এতে করে তাদের মধ্যেও একটু খুশির আনন্দ ফিরে পাই আসুন আমরা যাকাত বাদেও গরিব মানুষের ভিতরে একটু আনন্দ খোঁজার চেষ্টা করি এতে করে আপনার মনেও শান্তি আসবে।
আরো পড়ুনঃ প্রতি সপ্তায় ৪০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম
ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে ঈদুল আযহা পালিত হবে। এবং এপ্রিল মাসের কোরবানি পশুর জন্য সঞ্চয় পরিকল্পনা করে বুদ্ধিমানের কাজ হবে সবচেয়ে তাহলে আর কোরবানি দেওয়ার জন্য আপনাকে কোন টেনশন করতে হবে না। এবং আপনি কোরবানির সময় খুব সহজে একটু ভালো কোরবানি দিতে পারবেন এবং আপনিও খাবেন গরিব মানুষের ভিতরে বিতরণ করবেন অবশ্যই।
রোজা বিশেষ তালিকা আরবি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) প্রত্যেক মাসের আরবি তারিখ অনুযায়ী ১৩-১৪-১৫ তারিখের রোজা রাখতেন। ২০২৬ সাল অনুযায়ী ইংরেজি মাসের তারিখ অনুযায়ী আপনাকে একটি চার্ট দেয়া হলো চ্যাট অনুযায়ী দেখলে আপনার রোজা পালন করতে সুবিধা হবে।
- জানুয়ারি মাসের রোজা ২,৩ ও ৪ তারিখ এবং ৩১ তারিখে রাখতে হয।
- ফেব্রুয়ারি মাসের রোজা ১,২ তারিখে রাখতে হয।
- মার্চ মাসের রোজা৩.৪.৫ তারিখে রাখতে হয।
- এপ্রিল মাসের রোজা ১,২,৩ তারিখে রাখতে হয।
- মে মাসের রোজা ১,২,৩ এবং ৩০,৩১ তারিখে রাখতে হয।
- জুন মাসের রোজা ১,২৯,৩০ তারিখে রাখতে হয।
- জুলাই মাসের রোজা ১,থেকে ২৮,২৯,৩০ তারিখে রাখতে হয।
- আগস্ট মাসের রোজা ২৭,২৮,২৯ তারিখে রাখতে হয।
- সেপ্টেম্বর মাসের রোজা২৫,২৬,২৭ তারিখে রাখতে হয।
- অক্টোবর মাসের রোজা ২৪,২৫,২৬ তারিখে রাখতে হয।
- নভেম্বর মাসের রোজা ২৩,২৪,২৫ তারিখে রাখতে হয।
- ডিসেম্বর মাসের রোজা ২২,২৩,২৪ তারিখে রাখতে হয।
ডিজিটাল যুগে এসেও আরবি মাসের ক্যালেন্ডার এর ব্যবহার
বর্তমান সময়ের ডিজিটাল যুগ সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন স্মার্টফোনের মাধ্যমে খুব সহজে আবদুড়ি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ অ্যাপস এর মাধ্যমে খুব সহজে আমরা বের করতে পারবো। প্লে স্টোরে বা google আরবি মাসের ক্যালেন্ডার গুলো সার্চ দিলে অসংখ্য আর চলে আসবে। যা থেকে আপনি খুব সহজে আরবি মাসের ক্যালেন্ডার দেখতে পাবেন।
আরবি মাসের ক্যালেন্ডার জানা অত্যন্ত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা মুসলিম কারন আমরা আরবি মাসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রোজা এবং চাঁদের রোজাগুলো পড়ে থাকে মাসে মাসে সেক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই প্রয়োজন হবে আগামী মাসের ক্যালেন্ডার এজন্য আমরা মোবাইলের মাধ্যমে খুব সহজে বের করতে পারবো।
আরো পড়ুনঃ প্রতি সপ্তায় ৪০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম
আর আপনি যদি মোবাইলের মাধ্যমে না বের করতে পারেন। তাহলে আশেপাশে যদি আপনার কোন ইসলামিক ফাউন্ডেশন থাকে তার সঙ্গে যে যোগাযোগ করলে সেখান থেকে আপনি ক্যালেন্ডার সংগ্রহ করতে পারবেন খুব সহজে ও বিনামূল্যে।



ওয়েব ডিজি লাইফর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url