১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়

 

১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয় এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হলে এ পোস্টটি আপনার জন্য। বর্তমান যুগে ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস এ পরিণত হয়েছে এটি মোবালে কথা বলার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস।

১৫০০-টাকার-নিচে-কোন-ব্লুটুথ-কলিং-সাউন্ড-ক্লিয়ার-দেয়

ব্লুটুথ কলিং এর মাধ্যমে আপনি মোবাইল না বের করে কথা বলতে পারবেন খুব সহজে। এর মাধ্যমে আপনি মোবাইল পকেটে রেখেই খুব সহজে গান শুনতে পারবেন মোবাইল বের না করেই। এটি বিনোদন পাওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডিভাইস।

পোস্ট সূচীপত্রঃ ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়

১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়

ব্লুটুথ ইয়ারফোন শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য নয় এটি অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস এটির মাধ্যমে আপনি খুব সহজে স্পষ্ট ভাবে অন্যজনের সঙ্গে কথা বলতেও পারবেন মোবাইল বের না করেই। এটি হয়ে উঠেছে নিত্যদিনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডিভাইস। ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড বর্তমান সময়ে হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডিভাইস। স্টাইলিশ ও আধুনিক ডিজাইনের হেডফোন গুলো অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয় ও পরিষ্কার সাউন্ড দেয় এমুন সেরা খুভ জনপ্রিয় ১০ টি ব্র্যান্ড হলো

hoco eq34 প্লাস কোম বাজেটের মধ্যে উন্নত ও খুব ভালো মানের একটি অপশন হবে। এবং এর সাউন্ডটি দুর্দান্ত কলিং ফিডব্যাক বেশ ভালো হয়। এঙ্কার সাউন্ডকোর K2Oi এঙ্কারের এই মডেলটির কলেটি অনেক ভালো এবং মাইক্রোফোনের জন্য পরিচিত খুব ভালো এর বিল্ড কলেটি এর জন্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। হেইলু  hq5 ang হেডফোনের রয়েছে শক্তিশালী নয়েজ স্যার যা বাইরের শব্দ কমাতে সাহায্য করে। এথে করে বাইরের সাউন্ড অপরজন শুনতে পারবে না এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা প্রয়োজনা কথা বলার সময় স্পষ্টভাবে শুনতে পাবে।

Awei Ta19 সেরা এটা পনেরশো টাকার নিচে খুব জনপ্রিয় একটা ইয়ারফোন এটাতেও রয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যান্সেলেশন। এটি হতে পারে আপনার জন্য একটি বেস্ট চয়েজ এটি দেখতেও  খুব ভালো স্টাইলিশ ফিল ভাব রয়েছে। এমকেবি ম্যাক্স PRO1 এটিতে রয়েছে নয়েজ য়া আপনার ভয়েস কলেটি স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে এটার দামও খুব বেশি না। কম দামের ভিতরে বেস্ট চয়েস হতে পারে আপনার জন্য। HOSE EQ27 আপনার বাজেটের ভিতরে এবং এটিতে রয়েছে অত্যন্ত পাওয়ারফুল এ আই ভয়েস চেঞ্জার যা আপনি ভয়েস চেঞ্জ করে কথা বলতে পারবেন অন্য জনের সাথে দুর্দান্তভাবে।
 
১৫০০ টাকার নিচে হতে নিকব্যান্ড ব্লুটুথ কলিং hoco es71 এই নিকব্যান্ড বেস্ট টেকসই বাড়িতে এবং অফিসের হতে পারে আপনার জন্য বেস্ট চয়েজ। ইয়িসন ই১৭ এটি একটি ওয়াটারপ্রুফ নিকব্যান্ড অলটাইম ইউজ করতে পারবেন এবং অত্যন্ত  টেকসই দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারবেন। রিভারসং EA65 স্ট্রিম N+ সাশ্রয় মূল্য ভালো মানের নিকব্যান্ড খুঁজছেন তাহলে এটি হতে পারে আপনার জন্য বেস্ট পছন্দ। Acefast N7 সুন্দর ডিজাইন এবং কলিংগের  জন্য বেস্ট এবং মূল্য খুব একটা বেশি না ১৫০০ টাকার নিচে এগুলো ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয় এবং বেস্ট চয়েজ হতে পারে আপনার জন্য।

কোন ব্লুটুথ হেডফোন বেশি ভালো ওহ রিভিউ অনেক ভালো

একটা জিনিস কিনতে হলে আপনাকে অবশ্যই যাচাই-বাছাই করে কিন্তু হবে কারণ জিনিসটা আপনি একদিনের জন্য কিনছেন না। অবশ্যই দীর্ঘদিন ব্যবহার করবেন এই জন্য রিভিউ অবশ্যই দেখতে হবে।এর আগে আমরা দেখে আসলাম ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়। এবার আমরা জানবো কোন ব্যান্ড কিনলে বেশি ভালো হবে বা কোন ব্যান্ডের ইয়ারফোন কিনলে বেশি ভালো হবে। একটি জিনিস কেনার আগে অবশ্যই রিভিউ দেখতে হবে। সাউন্ড কোয়ালিটি কেমন সেটা দেখতে হবে আপনি যদি একটা জিনিস কেনার আগে যাচাই-বাছাই করে কিনেন তাহলে কখনো ঠকবেন না।
                                                                              
১৫০০-টাকার-নিচে-কোন-ব্লুটুথ-কলিং-সাউন্ড-ক্লিয়ার-দেয়
পনেরশো টাকার মধ্যে রয়েছে Awei Ta19 আরো ইয়িসন ই১৭ Acefast N7 এগুলো হেডফোন গুলর রিভিউ অনেক ভালো রয়েছে। এসব ব্লুটুথ হেডফোন গুলো খুব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বিশেষ করে ইকমার্স এ ফেসবুকে বিভিন্ন রকম পেজেও এগুলো জনপ্রিয়তা অনেক বেশি রয়েছে। আপনি চাইলে পেজ থেকে অর্ডার করতে পারেন রিভিউ দেখে। কারণ একটা জিনিস কেনার আগে মল প্রকাশ দিতে হবে রিভিউতে ব্যাটারি ব্যাকআপ কেমন এগুলো বিষয়ে আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এই দুইটি ব্র্যান্ড আপনি চাইলে কিনতে পারেন। রিভিউ অনেক ভালো আছি ওই স্টাইলিশ ফিল দেবে আপনাকে একটি আলাদাভাবে।

আপনি চাইলে দারাজ থেকে অর্ডার করতে পারেন। কারণ যেকোনো পণ্যের উপর অনেক সময় বিশেষ ভাবে ছাড় দিয়ে থাকে পার্সেন্টেজ ভাবে। আপনি চাইলে hoco eq34 প্লাস এটিও নিতে পারেন তারবিহীনভাবে একদম অন্যরকমভাবে স্টাইলে ফিল দিবে আপনাকে। hoco eq34 এর দামও খুব একটা বেশি না এক হাজারের ওপরে লাগতে পারে রিভিউ অনেক ভালো আছে। আপনার বাজেট কম হয়ে থাকে তাহলে রিভিউ বেস্ট এবং বাজেট খুব বেশি না তাহলে এটা হতে পারে আপনার জন্য ১নাম্বার বেস্ট চয়েজ hoco eq34 প্লাস ব্যান্ডের এয়ারফোনটা আমি নিজে ইউজ করতেছি অনেক টেকসই ও ব্যাটারি ব্যাকআপ ভালো।

নয়েজ ক্যান্সলেশন এর কাজ কি। নয়েজ ক্যান্সলেশন কিভাবে কাজ করে

১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয় প্রথমে আমাদের জানতে হবে নয়েজ  জিনিসটা কি বা নয়েজ ক্যান্সলেশন এর কাজ কি কিভাবে কাজ করে থাকে এর মাধ্যমে আমরা কিভাবে সুবিধা পেয়ে থাকি এটি একটি ইলেকট্রনিক্স সিস্টেম যা আপনার ইয়ারফোনে বাইরের সাউন্ড জেথে দেয় না। আপনি জদি কোন গুরুত্বপূর্ণ মিটিং করে থাকেন তাহলে হতে পারে এটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নয়েজ ক্যান্সলেশন মাধ্যমে বাইরের সাউন্ড পোছাতেও দেয় না। আপনার আশপাশে অনেক রকম সাউন্ড হচ্ছে বাতাসের সাউন্ড ইঞ্জিনের সাউন্ড হরেন মানুষের কোলাহল 

আরো পড়ুনঃ প্রতি সপ্তায় ৪০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম ১০টি উপায়

এগুলো শব্দকে কমিয়ে আপনাকে একটি নিরিবিলি পরিবেশ করে দেয় যা আপনি গান শোনার সময় বা অন্য জনের সঙ্গে কথা বলার সময় আরামদায়ক ফিল দিবে। বাইরে থেকে যে সাউন্ডটা আসে সে সাউন্ডটা সে আগে শুনে শোনার পরে সাউন্ডটাকে কনভার্ট করে বাতিল করে দেয়। বাতিল করে দেওয়ার পরে আপনার অরজিনাল সাউন্ড আপনাকে শোনাই বলতে গেলে বিপরীত তরঙ্গ মিলেমিশে বাতিল করে দেয়। সহজ কথায় বলতে গেলে নয়েজ ক্যান্সেলেশন হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা আপনার আশেপাশের বাড়তি শব্দগুলোকে সরিয়ে ফেলে আপনাকে শান্তিতে গান শুনতে বা কথা বলতে সাহায্য করে থাকে। 

কেন ব্লুটুথ ইয়ারফোন কিনবেন বা আপনার ফাস্ট চয়েজ কেন হবে

বর্তমান সময়ে এটি আপনার জন্য উত্তাম না একটু গুরুত্বপূর্ণ ব্লুটুথ ইয়ারফোন স্টাইলে দিখ থেকে দেখতে গেল আপনাকে সবার থেকে এগিয়ে আনবে। ব্লুটুথ ইয়ারফোন এর প্রধান সুবিধা হলো এর পোটেবিলিটি। এছাড়াও ফোনের সঙ্গে কোন তার সংযোগ ছাড়াই ব্লুটুথ এর মাধ্যমে আপনি তার বা অন্যান্য মাধ্যম অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন খুব সহজভাবেই। ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয় বলতে গেলে ফাস্টএ  আসে নিকব্যান্ড ব্লুটুথ এয়ারফোন যা ঘার দুইপাশ দিয়ে তার ঝুলে থাকে এটাই ইচ্ছা মত ব্যবহার করতে পারবেন পকেটের রাখার কোন ঝামেলা নেই। 

কারণ এখানে তার ব্যবহার করা হয় তাদের মাধ্যমে আমরা ঘাড়ে ঝুলিয়ে রাখতে পারবেন খুবই যেভাবে।এবং ইন ব্যাটারি ব্যাকআপ ও দুর্দান্ত হয়ে থাকে ত্রিশ থেকে 48 ঘন্টা ব্যাকআপ দিয়ে থাকে। ব্লুটুথ ইয়ারপোর্ট এর সুবিধা যা ছোট একটি এয়ারবাডস এটি দেখতে ছোট হলেও এটা স্টাইলের দিখ থেকে এক নম্বরে থাকবে এবং এর বাজেটে কলিং কোয়ালিটি কিছুটা পিছিয়ে থাকতে পারে। এবং এটি ব্যাটারির ব্যাকআপ একটু কম হতে নেকব্যান্ডের চেয়ে। এবং এটি আপনি পকেটে করেও ক্যারি করতে পারবেন খুব ইজি ভাবে। 

ভালো ব্লুটুথ হেডফোন চিনার উপায় কি

১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয় বর্তমান সময়ে এই টাকার ভিতরে অনেক হেডফোন রয়েছে বর্তমান বাজারে যে কত রকম কত ধরনের হেডফোন রয়েছে তা আপনার ধারণার  বাইরে এর ভিতরে অরিজিনাল হেডফোন খুঁজে বের করা একটু কষ্ট হথে পারে আপনার জন্য এবং পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকলে অসম্ভবও বলা চলে। কোন বিষয়ে খেয়াল রাখবেন চলুন জেনে নি একটি ভালো ব্লুটুথ হেডফোন চেনার জন্য ব্র্যান্ডের নামের চেয়ে এর ভেতরের প্রযুক্তি ও বিল্ড কোয়ালিটি যাচাই করা বেশি জরুরি। কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন

সাউন্ড কোয়ালিটি ও ড্রাইভারে নজর দিন: হেডফোনের ড্রাইভার যত বড় হবে সাধারণত ৪০ মিমি বা তার বেশি বেস এবং সাউন্ডের কলেটি বেস্ট ভালো হবে। ব্লুটুথ ৫.৩ বা তার আপডেট ভার্সন রয়েছে এমন হেডফোন কিনুন তাহলে ভালো হবে। ব্যাটারির ব্যাকআপ যাচাই করুন এমন হেডফোন কিনুন যার চার্জ  সর্বনিম্ন ৩০ থেকে ৬০ ঘন্টা যাবে এটি হবে আপনার জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়াও খেয়াল রাখবেন হেডফোনে যেন USB Type-C চার্জিং সিস্টেম থাকে এবং ফাস্ট চার্জিং যেন হয় এ বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। হেডফোনে যেন অবশ্যই নয়েজ ক্যান্সলেশন থাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়              
নয়েজ ক্যান্সলেশন সাধারণত দেড় হাজার টাকার মধ্যে এগুলো হেডফোনের ভিতরে থাকে এতে করে বাইরের কোলাহল মুক্ত ক্লিয়ার সাউন্ড দেবে। এরপর দেখুন অডিও রেকর্ড  হেডফোনটি aptX, AAC বা LDAC কোডেক সাপোর্ট করে কি না দেখুন। এগুলো ব্লুটুথের মাধ্যমে হাই-কোয়ালিটি অডিও স্ট্রিমিং করতে সাহায্য করে। মাইক্রোফোন ও ল্যাটেন্সি কল করার জন্য মাল্টিপল মাইক্রোফোন এবং গেমিংয়ের জন্য Low Latency Mode ৬০ মিলিসেকেন্ডের নিচে আছে কি না ভালো দেখে নিন।  

কলিং সাউন্ড স্পষ্ট শুনতে পাওয়ার উপায়

সাউন্ড ক্লিয়ার পেতে হলে শুধু ভালোই হেডফোন কিনলেই হবে না কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এর মধ্যে হলো কথা বলার সময় নেটপ্যান্টের মাইক্রোফোনটি আপনার কলারের কাছে ঠিকঠাকভাবে আছে কিনাতা ভালো ভাবে দেখুন। নেটওয়ার্ক প্রবলেম কেন দেখায় অনেক সময় ফোনে নেটওয়ার্কের কারণে সাউন্ড ফেটে যায় বা সাউন্ড স্পষ্টশোনা যায় এটি হেডফোনের সমস্যা না। কানের সাইজ অনুযায়ী সঠিক ব্যবহার করুন এতে করে বাইরের শব্দের কন্ঠকে এবং আপনি স্পষ্ট ভাবে অপারেশনের কথা শুনতে পাবেন। 

হেডফোন কখনো ময়লা জাইগায় রাখবেন না তাহলে ময়লা ঢুকে  সাউন্ডের প্রবলেম করে অনেখ সময়। ওয়াটারপ্রুফ হওয়ার সত্বেও পানি ভিজাবেন না অনেক সময় পানি ঢুকে যেও আপনি সাউন্ড স্পষ্ট শুনতে পাবেন। এগুলো বিষয়ে অবশ্যই মাথায় রাখবেন তাহলে হেডফোনের কোন রকম প্রবলেম হবে না। তাহলে আর কোনরকম কলিং সাউন্ড এর প্রবলেম হবে না আশাকরি।

কেন ব্লুটুথ ইয়ারফোন জরুরী 

বর্তমান সময়ে ব্লুটুথ ইয়ারফোন চাহিদা অনেক বেশি কারণ স্মার্টফোন থেকে ৩.৫ মিমি অডিও জ্যাক উঠে যাওয়ার পর ব্লুটুথ ডিভাইসের গুরুত্ব বেড়ে গেছে। বিশেষ করে বিশেষ করে যাত্রাপথে আনন্দময় করে তোলে বাসের বা ট্রেনে যাতাটেতের সময় তার ছেড়ে দেওয়ার ভয় থাকে না কন রকম। আপনি যদি জিম করে থাকেন তাহলে কোন রকম তারের ঝামেলা ছাড়াই ব্লুটুথ ইয়ারফোন আপনার জন্য বেস্ট হবে। আবার আপনি যদি ড্রাইভিং করে থাকেন ব্লুটুথ ইয়ারফোন বাইক চালানোর সময় হেলমেটের ভিতরে ইয়ারফোন খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

কিনার সময় যে পাঁচটা বিষয় খেয়াল রাখবেন

ব্লুটুথ ভার্সন দেখে কিনুন অবশ্যই ৫.০ বা তার ওপর হতে হবে। ড্রাইভার সাইজ কমপক্ষে ১০ মিমি ড্রাইভার থাকলে সাউন্ড ভালো পাওয়া যায় ওয়াটারপ্রুফ যেন হয় এই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে আবারে IPX4 বা তার বেশি রেটিং থাকা খুব ভালো। চার্জিং পোর্ট টাইপ-সি পোর্ট আছে এমন ইয়ারফোন কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে এতে করে আপনি মোবাইলের চার্জার এর মাধ্যমে এয়ারফোনটি চার্জ করে নিতে পারবেন খুব সহজেই। গ্যারান্টি দেখে কেমন কমপক্ষে ছয় মাস থেকে এক বছর যেন গ্যারান্টি থাকে এমন ইয়ারফোন কিনুন বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ইয়ারফোনের প্রবলেম হলে করণীয় কি

ইয়ারফোন কাজ না করলে বা শব্দে সমস্যা হলে প্রথমেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কখনো কখনো ছোটখাটো সমস্যার জন্য এমন হয়ে থাকে সাউন্ড না পারমান কারণ হতে ইয়ারফোনের কানেক্টর বা ফোনের পোর্টে ধুলোবালি জমে থাকলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। একটি শুকনো টুথব্রাশ বা কটন বার দিয়ে সাবধানে পোর্টটি পরিষ্কার করুন। নিশ্চিত করুন যে ইয়ারফোনটি পোর্টের একদম শেষ পর্যন্ত ঢুকেছে। ফোনের কভারের কারণে অনেক সময় জ্যাক পুরোপুরি লাগে না। এর দেখুন ফোনের মিডিয়া ভলিউম ঠিক আছে কি না ভালো ভাবে দেখুন। ফোনের 'Accessibility' সেটিংসে                                                                      
১৫০০-টাকার-নিচে-কোন-ব্লুটুথ-কলিং-সাউন্ড-ক্লিয়ার-দেয়
গিয়ে দেখুন অডিও ব্যালেন্স মাঝখানে আছে কি না।অনেক সময় এটি বাম বা ডানে সরে গেলে এক কানে শব্দ শোনা যায় না। ইয়ারফোনটি অন্য কোনো মোবাইল বা ল্যাপটপে লাগিয়ে দেখুন। ইয়ারফোনের তার কোথাও বেশি বাঁকা হয়ে আছে কি না দেখুন। সাধারণত জ্যাকের গোঁড়ায় বা ইয়ারবাডের সংযোগস্থলে তার ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সেভ করার পরেও যদি সেখানে কাজ না করে তবে বুঝতে হবে আপনার ফোনের সফটওয়্যার বা পোর্টে সমস্যা। এ সমস্যা হলে রিসেট করুন ব্লুটুথ ইয়ারফোন হলে সেটি একবার ফরগেট করে পুনরায় পেয়ার  করুন তাহলে সমাধান হয়ে যাবে।

কেন চার্জিং কোয়ালিটি খেয়াল রাখবো

আর ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয়  হেডফোন কিনার আগে অবশ্যই কম দামের মধ্যে কোনটির চার্জিং ব্যাকআপ ভালো দেয় খেয়াল রাখতে হবে কারণ হেডফোনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চারজিংব্যাকআপ আপনি যদি একটি হেডফোন কিনেন সেটা যদি চার্জে বেশিক্ষণ না যায় তাহলে কিনা আপনার লস তাই না। এজন্য কেনার আগে এমন হেডফোন কিনবেন যেটার চার্জ সর্বনিম্ন ৩০ থেকে ৬০ ঘন্টা যাবে। আর এগুলো বিষয় চেক করতে অবশ্যই গুগলের সাহায্য নিয়ে করবেন তাহলে আপনি নির্ভুল ভাবে যাচাই করতে পারবেন।

অনলাইন থেকে কেনার সময় যা দেখবেন

১৫০০ টাকার বাজেটে ফেসবুক বা অনলাইনে 'Apple AirPods' বা 'Sony' ব্র্যান্ডের ১:১ কপি পাওয়া যায়। এই মাস্টার কপি পণ্যগুলো কেনা মানে টাকা জলে ফেলা। এগুলোতে কোনো অথেনটিক ড্রাইভার থাকে না এবং আপনার কানের ক্ষতি করতে পারে। এজন্য আপনি অবশ্যই দোকান থেকে কিনে আপনার জন্য বেটার হবে। আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন আর আপনার যদি আইডিয়া অনেক বেশি থাকে তাহলে অনলাইন থেকে আপনি কিনতে পারেন। অবশ্যই পূর্ণ রিসিভ করার পরে ভালোভাবে চেক করে নেবেন তাহলে প্রতারণা থেকে দূরে থাকবেন।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস

১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয় এ বাজেটের ভেতরে যে কয়টার হেডফোনের নাম বলা হয়েছে সবকয়টারি সাউন্ড অসাধারণ। এই নিয়ে নতুন করে আর কিছুই বলার নেই কারণ আমরা সবকিছু ভালো ভাবে জেনে এসেছি। আর এগুলোর দাম সব সময় একরকম থাকে না ওটা নামা করে এজন্য কিনার আগে অবশ্যই দাম যাচাই করে কিনতে হবে। আর ১৫০০ টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার দেয় এর একটি মেইন প্রবলেম রয়েছে এগুলতে অনেক সময় সস্তা সিলিকন বা রাবার টিপস ব্যবহার করা হয় এর ফলে বাতাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায় অনেখ খুন ব্যবহারের ফলে এরপর ঘেমে যাই যার ফলে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে তাই অবশ্যই একটানা কখনো হেডফোন ব্যবহার করবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ওয়েব ডিজি লাইফর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url